এইমাত্র পাওয়া

সাকিবদের হারিয়ে মুশফিকরা জিতল

জানুয়ারি ২১, ২০১৯

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট ফেরা ঢাকা মিরপুরে লড়াইয়ে নেমে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি। চট্টগ্রামের বিপক্ষে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৯ রান জমাতে সক্ষম হয় ডায়নামাইটস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

১৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট হাতে তিন উইকেট রেখেই জয় তুলে নেয় চিটাগং ভাইকিংস।

ঢাকার ইনিংসের শুরুটা হয় রনি তালুকদারের রানের খাতা খুলতে না পারার মধ্য দিয়ে। ফ্রেইলিঙ্ক বোল্ড করেন তাকে। এক ওভার পরই নিজের দ্বিতীয় ওভারে ফ্রেইলিঙ্ক বোল্ড করেন আরেক ওপেনার সুনিল নারিনকে (১৮)। ৩ চার ও এক ছক্কায় ৯ বলে এই রান করেন ক্যারিবীয় মেকশিফট ওপেনার।

সেখান থেকে হেইনো কুনকে নিয়ে জুটি গড়ায় মন দেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু অধিনায়ককে রেখে ফিরে যান কুন (১৮)। ডারোইশ রাসোলিও টিকতে পারেননি। কুনকে বোল্ড করা আবু জায়েদ রাহির বলেই ডেলপোর্টকে ক্যাচ দেন রানের খাতা খোলার আগেই।

সাকিবের পরের লড়াইটুকু নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গী করে। দুজনে ৩৯ রান যোগ করেন। সাকিবের ফেরাতেই ভাঙ্গে জুটিটি। ঢাকা অধিনায়ক ২ চার ও এক ছয়ে ৩৪ বলে ৩৪ করে ফেরেন।

সোহান আর কিছুক্ষণ থেকেও ইনিংস বড় করতে পারেননি, ৫ চারে ১৮ বলে ২৭ করে সাজঘরে হাঁটা দেন। প্রত্যাশা অপূর্ণ রেখে ফিরে যান আন্দ্রে রাসেলও (১)। এরপর টেলের দিকে শুভাগত হোমের ১৫ বলে ২৯ রানে চ্যালেঞ্জিং পুঁজিটুকু পায় ডায়নামাইটসরা।

অপরদিকে ৬ বলে ১৬ রান- এই সমীকরণে দাঁড়িয়ে শেষ ওভারে তিন ছক্কা মেরে চিটাগংকে ৩ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন রবি ফ্রাইলিংক। বল হাতেও এই প্রোটিয়া অল-রাউন্ডার নিয়েছেন ৩ উইকেট। তার কাছে ব্যর্থই হয়ে গেল সাকিবের অল-রাউন্ড নৈপূণ্য।

রান চেজ করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আন্দ্রে রাসেলের বলে শুভাগত হোমের দারুণ ক্যাচে পরিণত হন মোহাম্মদ শেহজাদ ০। প্রতিরোধের চেষ্টায় নামেন অপর ওপেনার ক্যামেরন ডেলপোর্ট ৩০ এবং ইয়াসির আলী ১৫। কিন্তু সাকিব আছেন না? দুজনকেই প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান তিনি। বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডারের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন লঙ্কান তারকা দাসুন শানাকা ২। চিটাগং অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আজ ম্যাচ উইনার হতে পারেননি। ২৩ বলে ২২ করে শিকার হয়েছেন রুবেলের।

একবার রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত নাঈম হাসানকে নিয়ে দলের হাল ধরেন। শুরু হয় উত্তেজনাকর লড়াই। কখনও রানের চেয়ে বল কমে যাচ্ছে, আবার কখনো বলের চেয়ে কমে যাচ্ছিল টার্গেট। ১৭তম ওভারে এসে বোল্ড করে দেন নাঈম হাসানকে ৪। শুধু তাই নয়; বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডারের ওই ওভারটি ছিল মেডেন! ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন সাকিব।

স্বাভাবিকভাবেই প্রচণ্ড চাপে পড়ে যায় চিটাগং। শেষ ওভারে দরকা ছিল ১৬ রানের। কঠিন অবস্থায় মোহর শেখের করা ওই ওভারে ৩ ছক্কা মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন প্রোটিয়া অল-রাউন্ডার রবি ফ্র্যাইলিংক ১০ বলে ২৫। ৩ উইকেটে জিতে যায় চিটাগং ভাইকিংস।

আগেই ধারণা করা হয়েছিল, ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম চিটাগং ভাইকিংসের এই ম্যাচটি টান টান উত্তেজনাপূর্ণ হতে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত হলোও তাই। শেষ ওভারের চরম উত্তেজনার শেষে জয় হলো চিটগং ভাইকিংসের। সাকিব আল হাসানের অল-রাউন্ড নৈপূণ্যও জয় বঞ্চিত করতে পারেনি মুশফিকুর রহিমের দলকে।

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« জানু    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮  

শিরোনাম :