এইমাত্র পাওয়া

একাত্তরের উল্টো মুক্তিযোদ্ধা হতে চাই!

নভেম্বর ৯, ২০১৭

যে কোন মুহূর্তে ভয়াবহ যুদ্ধে লেগে যেতে পারে। তাই সর্বদা খুব সতর্কীকরণ প্রস্তুত। রয়েছে নানান যুদ্ধাদি যন্ত্র। শিয়া বাসের পায়া, লোহার রড, মেইন্ডা গাছের জাড়াচ্ছোয়া, হংকরের বুলেট, নারিকেল গাছের রকেটলঞ্চার, প্রবাল শৈবালের এটম বোম, শামুক ঝিনুকের স্থলু মাইন ইত্যাদি এমন অত্যাধিক আধুনিক অস্ত্র নিয়ে, কাঁটাযুক্ত কেঁয়া গাছের ব্যারিকেড বেষ্টনীতে  মহা সজ্জিত প্রস্তুত।

বলছিলাম সেন্টমার্টিন দ্বীপ নামে দেশটির কথা। এখানে দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে কারণ দ্বীপের মানুষগুলোর মৌলিক চাহিদাগুলো ধারাবাহিকভাবে রোহিঙ্গাদের চাইতেও নির্যাতিত, অত্যাচারিত, সুবিধা বিতাড়িত।

চলমান রোহিঙ্গা ইস্যু ও জলসীমান্ত নিয়ে নানান সমস্যার কারণে দেড় মাস ধরে বন্ধ হয়ে আছে দ্বীপটির প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন খাত। অন্যদিকে ফিশিং ট্রলারের মাছ ধরাও বন্ধ। একমাত্র আয়ের খাতটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এখন অনেকটাই দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন পরে রোহিঙ্গাদের ত্রাণের এক অংশ দ্বীপবাসী দাবিদার হয়ে যাবে।

এমতাবস্থায়,  দ্বীপের অনেকেই বাংলাদেশের ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, শুধু শুনেছে। তাই দ্বীপটির জনসাধারণ বাংলাদেশ বিদ্বেষী দেশ মায়ানমারের সাথে নিজস্ব উৎপাদন অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করে নিজেদের আয়ের উৎস নিশ্চিত করতে চাই এবং সেই সাথে একজন আদর্শ ও সাহসী "৭১" এর উল্টো "১৭"এর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চাই।

সুতরাং, একজন সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসী হিসেবে আমিও "১৭'র মুক্তিযোদ্ধা" হতে চাই।।

-এম কেফায়েত উল্লাহ খান
সম্পাদক
সেন্টমার্টিন বিডি নিউজ
সভাপতি
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, সেন্টমার্টিন।।

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« অক্টো    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

শিরোনাম :