এইমাত্র পাওয়া

রোজা অবস্থায় ব্রাশ-পেস্ট ও মেসওয়াক ব্যবহারে কী করবেন?

মে ১৪, ২০১৮

ধর্ম ডেস্ক :
হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশ্ক আম্বরের চেয়েও প্রিয়।’ এ গন্ধ মানে মেসওয়াক না করার কারণে মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়।

এ হাদিসের আলোকে অনেকেই ভুল করে থাকেন, আর তাহলো- যেহেতু রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয়, তাই রোজা অবস্থায় মেসওয়াক করা যাবে না। মেসওয়াক করলে আল্লাহর কাছে প্রিয় গন্ধ দূর হয়ে যাবে। আর রোজাদার সে ফজিলত থেকে বঞ্চিত হবে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।

রবং মেসওয়াক করা সুন্নাত, এটা রোজা রাখা অবস্থায় সকাল, দুপুর, বিকালসহ সব নামাজের ওয়াক্তে আদায় করাই সুন্নাত। আর সব অবস্থায়ই রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে সর্বঅধিক প্রিয়। তাই বলে মেসওয়াক না করার ফলে রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়। এ ব্যাপারে রোজাদারের সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

ব্রাশ-পেস্ট
রোজা অবস্থায় ব্রাশ-পেস্টের মাসআলা আলাদা। সাধারণত মানুষ ব্রাশের সঙ্গে পেস্ট ব্যবহার করে থাকে। যেমনটি মেসওয়াকের সঙ্গে ব্যবহার করা হয় না।

মনে রাখতে হবে
রোজা অবস্থায় পেস্ট, গুল, মাজন বা কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত পরিস্কার করা নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো গলার ভেতরে চলে গেলে রোজাই নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি ভেতরে চলে না-ও যায়, তবুও রোজা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদি কেউ শুধু পেস্ট ছাড়া শুধু ব্রাশ করতে চায়; তবে তা করতে পারবে। তবে উত্তম হলো মেসওয়াক করা। তাতে মেসওয়াক করার সুন্নাতও আদায় হবে আবার রোজা নষ্ট হওয়ার ক্ষতি থেকেও বেঁচে থাকা যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রোজা অবস্থায় ব্রাশ ও পেস্টের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মেসওয়াক করে সুন্নাতের সাওয়াব লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« আগ    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

শিরোনাম :