এইমাত্র পাওয়া

মাদক, গডফাদার ও ক্রসফায়ার নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাবলুর কিছু কথা

মে ৩০, ২০১৮

সারাদেশে মাদক বিরোধী অভিযান চলছে। মারা পড়ছে চিহ্নিত মাদক কারবারি। সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছে দেশের আপামর জনসাধারণ। যুব সমাজ বাঁচাতে দেশকে মাদক কারবারিদের অভিশাপ থেকে রক্ষা করতে সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত খুব জরুরী ছিল বলে মনে হয়।
বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের মত মাদক নির্মূল করতেও সফল হবে।
সারাদেশ ব্যাপী মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে তাতে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের সময়োপযোগী যুক্তিক অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে, কোন মহল থেকে মনে হয় গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মাদক বিরোধী অভিযানকে যখন সারাদেশের মানুষ বাহবা দিচ্ছে ঠিক এই সময় কাউন্সিলর একরাম ভাইকে ক্রসফায়ার দিয়ে নানান সমালোচনার জন্ম হয়। শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া। ধমকে যায় অভিযানের গতি। এতে করে সাধারণ মানুষের মনে মাদক বিরোধী অভিযান পুঁজি করে কোন মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে জোর দাবি উঠে। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, টেকনাফের যে ইয়াবা গডফাদারদের তালিকা তাতে নতুন করে নুরল আলম চেয়ারম্যানের নাম দেখে হাজার হাজার টেকনাফবাসীর মত আমিও অবাক হয়। নুরল আলম চেয়ারম্যানের পিতা মরহুম হাজ্বী শফি মেম্বার টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সর্বজন স্বীকৃত একজন অন্যতম নেতা ছিলেন। যিনি সারা জীবন মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছে যা টেকনাফের সকলের জানা। নুরল আলম চেয়ারম্যানের বড় ভাই নুরুল বশর বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, টেকনাফ পৌরসভার সাবেক দুই দুই বার কাউন্সিলর, সাবেক টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনিও পিতার মত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে অন্যায় অবিচার, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে যা টেকনাফের সাধারণ জনগনের মুখে মুখে শোনা যায়। নুরুল আলম চেয়ারম্যান-সাবেক টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সফল সভাপতি, ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন বর্তমান টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহাম্মদ কে হারিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নুরল আলম চেয়ারম্যান হেরে যায় তার একমাত্র কারণ ছিল টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সংঘবদ্ধ কালো টাকা। টেকনাফ অঞ্চলের মুজিব আদর্শের অন্যতম সারথি নুরুল আলম চেয়ারম্যানকে ইয়াবার মত জঘন্য মাদক কারবারি সাজানো নিছক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই হতে পারেনা। তাহলে কি টেকনাফে মাদক নির্মূল নামে আওয়ামী ত্যাগীদের নির্মূলের তালিকা হয়েছে! এতে করে মাদক বিরোধী অভিযান একপ্রকার সমালোচনার সম্মুখীন হয়।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি নুরল আলম চেয়ারম্যান কোনদিন কোনভাবেই মাদক ও মানবপাচারের মত জঘন্য কাজে জড়িত ছিলেন না।

প্রকৃত মাদক কারবারির শাস্তি হউক তা আমার মত লক্ষ কোটি মানুষের প্রাণের দাবি। তবে এই অভিযানকে পুঁজি করে কোন অশুভ শক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকেও সার্বজনীন খেয়াল রাখতে হবে।
নুরুল আলম চেয়ারম্যান বর্তমান উপজেলা যুবলীগের নির্বাচিত সভাপতি। নুরুল আলম চেয়ারম্যান টেকনাফের ছাত্র-যুব সমাজকে সাথে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। আমি সরকারের বিভিন্ন এজেন্সীর কাছে অনুরোধ রেখে বলতে চাই, হঠাৎ করে ইয়াবা গডফাদারদের তালিকায় নুরুল আলম চেয়ারম্যানের নাম অন্তরভুক্ত হওয়া নিছক ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই না।আমি আশা রাখব আপনাদের সুষ্ট ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে টেকনাফের ছাত্র ও যুবসমাজের প্রিয় অভিবাবক নুরল আলম চেয়ারম্যান সর্বনাশা ইয়াবার মত অভিশপ্ত তালিকা থেকে দায়মুক্ত হবে, ইনশাআল্লাহ্‌।
মাদক বিরোধী অভিযান চলছে, চলবেই। নিপাত যাক প্রকৃত ইয়াবা ডনদের কালো হাত। মুক্তিপাক টেকনাফ অঞ্চলের আপামর জনসাধারণ। অভিশাপমুক্ত হউক এই অঞ্চলের মাটি। পরিশেষে মাদক বিরোধী সরকারের যুক্তিক অভিযানের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে ষড়যন্ত্রের শিকার আওয়ামী ত্যাগীদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
ইব্রাহীম বাবলু
প্রচার সম্পাদক
টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগ।

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« আগ    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

শিরোনাম :