এইমাত্র পাওয়া

মানুষের ভালোবাসা অর্জনই রাজনীতির মূল লক্ষ্য- এরশাদ

জুলাই ৪, ২০১৮

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তাদের ওপর যেভাবে জুলুম নির্যাতন চলছে তা মেনে নেওয়া যায় না। অভিভাবকদেরও ওপরও নির্যাতন চলছে। কথা বলার অধিকার সবারই আছে। কেউ অধিকারের কথা বলতে পারবে না এটা হতে পারে না।
বুধবার (৪ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহাসচির এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, সুনীল শুভরায়, মেজর (অব.) খালেদ আকতার।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের দোরগোড়ায়। যে সমাজে মানুষ প্রতিবাদ করতে পারে না, কথা বলতে পারে না সে সমাজে মানুষ বাস করতে পারে না।’
এরশাদ বলেন, ‘শিক্ষকরা আজ রাস্তায় শুয়ে আমরণ অনশন করছেন। তাদের সঙ্গে কেউ কথা বলার প্রয়োজন বোধ করছে না। অথচ শিক্ষকরাই জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। মাদক ও চোরাকারবারী এখন সংসদেই আছেন। মাদকের ছোবলে দেশের সংস্কৃতি ও সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’
এরশাদ আরো বলেন, ‘দেশের বিবেকবান মানুষ চলমান রাজনীতিকে আর গ্রহণ করছে না। নির্বাচনের মাধ্যমে এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’ এরশাদ আরো বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত তাই ক্ষমতায় আসার স্বপ্নও দেখছে দলটি।’
তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আজ এমন এক পর্যায়ে চলে গেছে যে সাধারণ মানুষ এখন রাজনীতিবিদদের ঘৃণা করে। আমরা ক্ষমতায় গিয়ে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনবো।’
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে এরশাদ বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে এলো কী এলো না তাতে কিছু এসে যায় না। বিএনপি নির্বাচনে এলে এক ধরনের প্রস্তুতি আর নির্বাচনে না এলে অন্য কৌশলে নির্বাচন করবে জাতীয় পার্টি। আমরা নির্বাচন করবো, জাতীয় পার্টি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ৩০০ আসনেই আমাদের প্রস্তুতি আছে, আমরা নির্বাচনে জয়ের স্বপ্ন দেখছি। ক্ষমতায় থাকাটাই বড় কথা নয়, মানুষের ভালোবাসা অর্জনই রাজনীতির মূল লক্ষ্য।’

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« অক্টো    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

শিরোনাম :