এইমাত্র পাওয়া

সেন্টমার্টিন দ্বীপের সর্বস্তরের জনতার জ্ঞাতার্থে বলছি!

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮

প্রিয় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সর্বস্তরের জনতা!
আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলছি__

আসুন আমাদের মা (সেন্টমার্টিন দ্বীপ)এর
বিষয়ে পরিবেশ মন্ত্রনালয় কর্তৃক গৃহীত সকল গাঁজাখুরি সিদ্ধান্তের বিরোদ্ধে রুখে দাড়ায়।

যারা সেন্টমার্টিন বিরোধী নানা ধরনের
অপতৎপরতায় লিপ্ত তাদের উদ্দেশ্যে বলছি__

দ্বীপের অস্তিত্ব রক্ষার বিষয়ে এ জনপদের মানুষ ছাড়া কেউই ভাল বুঝবে না।কেননা শতাব্দীর পর শতাব্দী এ দ্বীপে তারা বা তাদের বংশ ধরেরাই এ দ্বীপে বসবাস করে আসছেন।এ দ্বীপের প্রতি তাদের প্রেম নজিরবিহীন।
সুতরাং এ দ্বীপ বা এর পরিবেশকে রক্ষার দায়িত্বও তাদের নিজেদের।
আপনাদের মনে রাখা উচিত__
সেন্টমার্টিন এর মানুষ কোন জালিমের মুল্লোক থেকে ভেসে আসা সরনার্থী না যে তাদের বিরোদ্ধে যাচ্ছেতাই বলে বেড়াবেন,
ইচ্ছানুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবেন।

কি পেয়েছেন আপনারা এ দ্বীপের মানুষকে?

প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম আরম্ভ হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে কতগুলো আজগুবী সিদ্ধান্ত পাশ করেন।
আর এর রেশ ধরেই সিনিয়র কিছু কর্মকর্তা
এসে হাতিয়ে নিয়ে যায় লক্ষ লক্ষ টাকা।
এরপর এক বছরের জন্য সব কিছু বৈধ হয়ে যায়।তারপর আবার পরের বছর নতুন করে শুরু হয়
এসব ভাঁওতাবাজী।
এভাবে একটি অগ্রগামী জনপদকে তার অগ্রযাত্রায় বাঁধাগ্রস্থ করা দেশদ্রোহীতার সামিল নয় কি?
এগুলো বন্ধ করুন।

এ দ্বীপকে নিয়ে সরকার_
কোন মহা-পরিকল্পনা নিয়ে থাকলে সেটা দ্বীপের মানুষকে জানাতে পারেন।
দেশের উন্নয়নের জন্য আমরা নিজেদের অস্তিত্ব বিসর্জন দিতে প্রস্তুত আছি।
তবে সেটা হতে হবে ১৮ কোটি মানুষের কল্যাণার্থে।

দ্বীপের মানুষকে সরনার্থী মনে করে ফাউল করবেন না। এখানে যারা বসবাস করেন তারা বাংলাদেশের নাগরিক।
তারাই এ দ্বীপের মালিক।

এখানে পর্যটক আসবে,
এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
এতে আপনাদের কি সমস্যা?
মানুষের আনাগোনা থাকলেই কেবল
এর প্রচারনা বৃদ্ধি পাবে।
ফলে এ দ্বীপ পরিচিতি লাভ করবে বিশ্বব্যাপী।

আপনারা যারা দেশের সর্বোচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন স্থানে থেকেও এ দ্বীপের বিরোধিতা করছেন তাতে আমাদের সন্দেহ হয় আপনাদের দেশপ্রেম নিয়ে।
আপনারা দেশের জন্য কাজ করছেন,
নাকী বিদেশীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছেন।

বিদেশীদের ইচ্ছা__
এ দ্বীপ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকুক।
তারপর তারা সরকার থেকে এ দ্বীপকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নিবে।
এরপর বিশ্বের শ্রেষ্ঠ একটি পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তুলবে।যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ হারাবে এর মালিকানা।

প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ_
(এমপি,মন্ত্রী ও সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা)!

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন এর
প্রতি প্রেম চর্চা করুন।
এ দ্বীপকে খামখেয়ালী করে বিদেশীদের হাতে তুলে না দিয়ে নিজেরাই গড়ে তুলুন একটি আধুনিক
ইকো-টু্রিজম জুন হিসেবে।

এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য দেবী_
এই দ্বীপকে গড়ে তুলুন আধুনিক যান্ত্রিক দুনিয়ার একটি সাইলেন্ট শহর হিসেবে।

আসুন__
ধ্বংস নয়,
গড়ার সংকল্পে নিজেদেরকে মানসিকভাবে তৈরি করি।

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« নভে    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

শিরোনাম :