এইমাত্র পাওয়া

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ হবে তিন স্তরের পরীক্ষায়!

অক্টোবর ৫, ২০১৮

বদলে যাচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতি। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে তিন স্তরের পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।
প্রথমে নেয়া হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে যারা উত্তীর্ণ হবে তাদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। শেষের দুই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি হবে মেধাতালিকা। সেই তালিকায় শীর্ষে থাকা প্রার্থীরা নিয়োগ পাবেন। আগামী ২৬ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়ার চিন্তাভাবনা আছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবার ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে আবেদন করেছে। এর আগে এ ধরনের চাকরির জন্য সর্বোচ্চ আবেদনকারী ছিল ১১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪০।
রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় পরীক্ষা গ্রহণে হিমশিম খাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ কারণে প্রথমে কিছু প্রার্থী বাদ দিতে প্রিলিমিনারি বা বাছাই পরীক্ষা নেয়া হবে। এতে উত্তীর্ণরা অবতীর্ণ হবেন মূল পরীক্ষায়। তবে পুরনো নম্বর বণ্টন পদ্ধতিই বহাল থাকবে।
অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় ৮০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর বহাল থাকছে। নতুন চিন্তাভাবনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগে পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার চিন্তাভাবনা করছে।

প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়া হবে। পরে লিখিত পরীক্ষা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিসট্রেশন (আইবিএ) এবং বুয়েট এই দুই পরীক্ষা নেবে।
এছাড়া মৌখিক পরীক্ষা হবে সব শেষে। সূত্র জানায়, প্রস্তাব অনুসারে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে ৪৮ হাজার প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে। এরমধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ নারী প্রার্থীকে রাখার প্রস্তাব আছে। বিগত নিয়োগ পরীক্ষায় ২০ সেট প্রশ্ন তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে।

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« নভে    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

শিরোনাম :